নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি — এই সময়ে গাছের নতুন ডাল ও কচি পাতা ঠান্ডায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে সদ্য কলম করা চারা আর টবের গাছগুলোতে সমস্যা বেশি দেখা যায়।
পানি কম দিন, তবে একেবারে বন্ধ নয়
শীতে মাটি দ্রুত শুকায় না, তাই সেচের পরিমাণ কমান। তবু দুই থেকে তিন দিন পরপর হালকা পানি দরকার — না হলে শিকড় শুকিয়ে যায়। খুব ঠান্ডা সকালে সেচ দেবেন না; দুপুরে রোদ উঠলে পানি দিন।
সারের সময়সূচি বদলান
শীতে নাইট্রোজেন (ইউরিয়া) সার দেবেন না — এতে নরম ডাল বেড়ে ঠান্ডায় পুড়ে যায়। গোবর, কম্পোস্টের মতো জৈব সার দিতে পারেন, আর ফুল আসার সময় অল্প পরিমাণে পটাশ দিতে পারেন।
ঠান্ডা থেকে বাঁচানোর উপায়
- ছোট চারার চারপাশে খড় বা শুকনো ঘাস বিছিয়ে দিন — মাটি গরম থাকবে।
- কুয়াশার সময়ে মাথায় পলিব্যাগ বা চটের ছাউনি দিন।
- গোড়ায় পানি জমতে দেবেন না; পচন ধরার ঝুঁকি থাকে।
- সকালে কুয়াশা কেটে গেলে ছাউনি খুলে দিন — আলো পাবে।
শীতে রোগ ও পোকা
শীতে ছত্রাকজনিত রোগ বাড়ে। পাতা বা ডালে সাদা-ধূসর দাগ দেখলে আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলুন এবং পুরনো ডাল ও পাতার আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলুন।
মনে রাখবেন, শীতের যত্নটা ঠিক থাকলে বসন্তে গাছ একসাথে নতুন কুঁড়ি দেয় — ফলনও বেশি হয়।